Dear visitor, welcome to free downloading blog site. Hope, see you again – thanks (Admin).

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক মূল্যায়ন | শিখন অগ্রগতির প্রতিবেন ছক। - Download Free Gazettes.

Header Ads

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক মূল্যায়ন | শিখন অগ্রগতির প্রতিবেন ছক।

 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক মূল্যায়ন   |   শিখন অগ্রগতির প্রতিবেন ছক।

 

জাতীয় শিক্ষাক্রম রুপরেখা ২০২১- এ প্রাক-প্রাথমিক হতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অনুমোদিত মূল্যায়ন নীতিমালায় প্রাথমিক স্তর থেকে এসএসসি বা মাধ্যমিক পরীক্ষার পূর্বে কোনো ধরণের পাবলিক পরীক্ষা অর্থাৎ পিইসিই, জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষা না গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম রুপরেখা ২০২১ ও পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমের আলোকে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ১ম শ্রেণির কোন প্রান্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। তবে প্রবর্তিত ধারাবাহিক মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে প্রতি প্রান্তিকের ফলাফল প্রদান করা হবে। এছাড়াও ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২য় ও ৩য় শ্রেণিতে নতুন বই প্রবর্তন সাপেক্ষে শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে হতে ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণিতে ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের সংমিশ্রণে মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকবে। ২০২৩ সালে ধারাবাহিক মূল্যায়ন প্রবর্তনের পূর্বে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রচলিত পরীক্ষা তথা মূল্যায়ন পদ্ধতি চলমান থাকবে। এ ক্ষেত্রে নিম্নেক্ত নির্দেশনাবলী অনুসরণযোগ্য-

(ক) বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে শোনা, বলা, পড়া এবং লেখা বিষয়গত নির্দেশনা মোতাবেক শিক্ষার্থীর দক্ষতা পরিমাপ করতে হবে। পড়া ও লেখা শ্রেণি পরীক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা পরিমাপ করতে হবে। শিক্ষক বিদ্যালয় খোলার তারিখ হতে যতগুলো শ্রেণি পরীক্ষা গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে যে কয়টিতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে এমন পরীক্ষার ৫টির নম্বর গণনা করবেন। প্রত্যেকটি শ্রেণি পরীক্ষায় ২০ নম্বরের উপর পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

(খ) গণিত বিষয়ে গাণিতিক ধারণা, প্রক্রিয়াগত ধারণা এবং সমস্যা সমাধানের উপর লিখিত শ্রেণি পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। এ ধরণের পরিমাপ শিক্ষকগণ এতদিন করে এসেছেন। সুতরাং শিক্ষক বিদ্যালয় খোলার তারিখ হতে যতগুলোশ্রেণি পরীক্ষা গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে যে কয়টিতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে এমন পরীক্ষার ৫টির নম্বর গণনা করবেন। প্রত্যেকটি শ্রেণি পরীক্ষায় ২০ নম্বরের উপর পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

(গ) বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং অন্যান্য বিষয়সমূহে বিষয়গত জ্ঞান, বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ ও অনুশাসন প্রভৃতি পরিমাপের উপর বিদ্যালয় খোলার তারিখ হতে যতগুলো শ্রেণি পরীক্ষা গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে যে কয়টিতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে এমন পরীক্ষার ৫টির নম্বর গণনা করবেন। প্রত্যেকটি শ্রেণি পরীক্ষায় ২০ নম্বরের উপর পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

 (ঘ) প্রত্যেকটি বিষয়ের শ্রেণি পরীক্ষাসমূহের মোট নম্বরের (৫টি) ৪০% এবং বাকী ৬০ নম্বরের উপর ৩য় প্রান্তিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। এ শ্রেণি পরীক্ষাসমূহ ও ৩য় প্রান্তিকের পরীক্ষার নম্বর যোগ করে ২০২২ এর শিক্ষার্থীর অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে হবে। বাংলাদেশের সকল বিদ্যালয়ে এ পরীক্ষা একটি সুনির্দিষ্ট তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।

 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক মূল্যায়ন   |   শিখন অগ্রগতির প্রতিবেন ছক ডাউনলোড করতে নিচের বক্সে ক্লিক করে মাত্র কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।

 




 

 

পোস্টের নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ‘‘ফেসবুক পেজে  লাইক দিয়ে রাখুন

 

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে নিচের ফেসবুক, টুইটার বা গুগল প্লাসে

শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন। এতক্ষণ সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

No comments

Powered by Blogger.